ওয়াশিংটনের কোনো এক রাত। গাড়ি চালিয়ে যাবার সময় পুলিশের নজরে পড়ে গেলেন ৪৬ বছরের এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক। মাতাল হয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন সন্দেহে তাকে থামানো হলো, তবে তিনি প্রতিজ্ঞা করে বললেন যে- মদ খেয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন না তিনি। তবে পুলিশের সন্দেহ গেল না। ভদ্রলোক ব্রেথালাইজার পরীক্ষা করতে (রক্তে অ্যালকোহলের পরিমাণ পরীক্ষা করার জন্য বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি) অস্বীকৃতি জানান, ফলে গ্রেফতার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে চিকিৎসকেরা রক্ত পরীক্ষা করে সাধারণ মাত্রার থেকে বহুগুণে বেশি অ্যালকোহল শনাক্ত করেন। তবে তিনি তারপরেও অনড়, তিনি নাকি গাড়ি চালানোর আগে সেসব কিছু ছুঁয়েও দেখেননি।
আক্রান্ত ব্যক্তির আচরণে কথা জড়িয়ে যাওয়া, স্মৃতিভ্রম এবং চরম ক্লান্তি দেখা দেয়। অনেকে একে স্রেফ মদ্যপানের প্রভাব ভেবে ভুল করেন, যার ফলে রোগী সামাজিক অবমাননা, আইনি জটিলতা এমনকি দাম্পত্য কলহের শিকার হন। এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে নিয়ন্ত্রিত খাদ্যতালিকায় শর্করা ও চিনি পরিহার করা অত্যন্ত জরুরি। এটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা হলেও সঠিক জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন। রোগীদের প্রতি সমাজের সহমর্মিতা ও সচেতনতা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

Post a Comment