২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে পাকি*স্তানের তৌন্সা শহরে চিকিৎসা নেওয়া অন্তত ৩৩১ শিশুর এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। যাচাইয়ের জন্য ওই শিশুদের মায়েদের পরীক্ষা করা হলে মাত্র ৪ জনের দেহে এইচআইভি পাওয়া যায়।
বাকী অধিকাংশ শিশু হাসপাতালেই আক্রান্ত হয়েছে—এমন তথ্য উঠে আসে এক অনুসন্ধানে।
কীভাবে সংক্রমণ ঘটেছে
২০২৫ সালে ধারণ করা একটি ভিডিয়োতে দেখা যায়, হাসপাতালের কর্মীরা একই সিরিঞ্জ একাধিক রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করছেন।
- একই সিরিঞ্জ বারবার ব্যবহার করা হচ্ছিল
- ব্যবহৃত সিরিঞ্জ ফেলে না দিয়ে পুনরায় ব্যবহার করা হচ্ছিল
- ‘মাল্টি-ডোজ ভায়াল’ থেকে ওষুধ নেওয়ার সময়ও নিরাপত্তা বিধি মানা হচ্ছিল না
এই ধরনের অনিয়ম সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
এক মায়ের বর্ণনায় সন্তানের শেষ সময়
আট বছর বয়সী মোহাম্মাদ আমিনের মা জানান, তার ছেলের মৃত্যু ছিল অত্যন্ত মর্মান্তিক। এইচআইভি পজিটিভ হওয়ার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সে মারা যায়।
ব্যথায় সে বারবার ছটফট করত—
"মনে হতো যেন তাঁকে ফুটন্ত তেলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।"
এই বক্তব্য শিশুদের শারীরিক যন্ত্রণার তীব্রতা ও চিকিৎসা অবহেলার ভয়াবহ পরিণতির একটি শক্তিশালী চিত্র তুলে ধরে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা
বিশেষজ্ঞদের মতেঃ
অসুরক্ষিত ইনজেকশন পদ্ধতি
→ এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি ও সি সহ বিভিন্ন মারাত্মক সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
নিরাপদ চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা
→ প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা, জীবাণুমুক্ত সিরিঞ্জ ব্যবহার বাধ্যতামূলক
→ ব্যবহৃত চিকিৎসা সরঞ্জাম যথাযথভাবে ধ্বংস করা প্রয়োজন