Est. 2026
ইনডিপেনডেন্ট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদ প্লাটফর্ম
Technology

ওয়্যারলেস পাওয়ার প্রযুক্তিতে দুই বাংলাদেশির সাফল্য, অকল্যান্ডে প্রতিষ্ঠা করলেন নতুন কোম্পানি

ওয়্যারলেস পাওয়ার ট্রান্সফার গবেষণা থেকে বাণিজ্যিক যাত্রা—বাংলাদেশি গবেষকদের নতুন উদ্যোগ

পড়তে লাগবে শুধুমাত্র 2 মিনিট
ওয়্যারলেস পাওয়ার ট্রান্সফার প্রযুক্তি ভবিষ্যতের স্মার্ট ডিভাইস ও আইওটি ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
ওয়্যারলেস পাওয়ার ট্রান্সফার প্রযুক্তি ভবিষ্যতের স্মার্ট ডিভাইস ও আইওটি ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

'ওয়্যারলেস পাওয়ার ট্রান্সফার' প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য গবেষণা সাফল্যের পর এবার বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করেছেন দুই বাংলাদেশি গবেষক—সাইদুল আলম চৌধুরী এবং ইউশা আরাফ।

নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড শহরে এক বছরের বেশি সময় ধরে 'স্মার্ট পাওয়ার বক্স' নামের একটি ওয়্যারলেস চার্জিং ডিভাইস নিয়ে কাজ করছেন ড. সাইদুল আলম চৌধুরী। অন্যদিকে তরুণ গবেষক ইউশা আরাফ অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োমেডিকেল সায়েন্সে পিএইচডি গবেষণা করছেন।

সম্প্রতি ওয়্যারলেস পাওয়ার এবং চার্জিং প্রযুক্তির গবেষণাকে এগিয়ে নিতে অকল্যান্ডে 'রিজোলিংক' (Resolink) নামের একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছেন এই দুই গবেষক। এটি বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রথম ওয়্যারলেস পাওয়ার প্রযুক্তি-ভিত্তিক কোম্পানিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সহপ্রতিষ্ঠাতা ইউশা আরাফ এক সাক্ষাৎকারে জানান, রিজোলিংকের মূল লক্ষ্য হলো তারবিহীন পাওয়ার সাপ্লাই প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা এবং শিল্প পর্যায়ের সমাধান তৈরি করা। তাঁদের গবেষণার ফলাফল ব্যবহার করে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযুক্তিগত সমাধান তৈরি করা হচ্ছে, যা সরাসরি পণ্যের কার্যক্ষমতা ও দক্ষতা উন্নত করতে সহায়তা করছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান লক্ষ্য পণ্য বিক্রি নয়; বরং উন্নত গবেষণা ও প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য, ড. সাইদুল আলম চৌধুরী চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। অন্যদিকে, ইউশা আরাফ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সাস্ট) থেকে জেনেটিক্সে স্নাতক এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

বিদেশে অবস্থান করলেও তাঁদের পরিকল্পনায় রয়েছে বাংলাদেশে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান বাস্তবায়ন করা। ভবিষ্যতে দেশে আইওটি (IoT) ডিভাইস, স্মার্ট হাসপাতাল এবং স্মার্ট হোম প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। সাশ্রয়ী ও কার্যকর প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিখাতে অবদান রাখাই তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।

#articles