মহাকাশ গবেষণায় নতুন এক মাইলফলকের দ্বারপ্রান্তে ভয়েজার ১।
১৯৭৭ সালে উৎক্ষেপণের পর থেকে প্রায় পাঁচ দশক ধরে মহাকাশে ছুটে চলছে মহাকাশযানটি। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ পৃথিবী থেকে এক 'লাইট-ডে' দূরত্বে পৌঁছাবে ভয়েজার ১।
এখন কোথায় রয়েছে ভয়েজার ১
বর্তমানে সূর্যের হেলিওস্ফিয়ার অতিক্রম করে আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাশূন্যে প্রবেশ করেছে এটি—যাকে বলা হয় ইন্টারস্টেলার স্পেস।
- পৃথিবী থেকে দূরত্ব: প্রায় ১৬ বিলিয়ন মাইল
- গতি: ঘণ্টায় প্রায় ৩৮,০০০ মাইল
- সংকেত যাতায়াত সময়:
- বার্তা পাঠাতে: প্রায় ২৪ ঘণ্টা
- উত্তর পেতে: আরও ২৪ ঘণ্টা
এই বিশাল দূরত্বের কারণে মহাকাশযানটির রিয়েল-টাইম নিয়ন্ত্রণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে, ফলে প্রতিটি নির্দেশ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিকল্পনা করতে হয়।
প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও অব্যাহত সাফল্য
ভয়েজার ১ একটি পুরনো প্রযুক্তির মহাকাশযান, যার কম্পিউটিং ক্ষমতা আধুনিক স্মার্টফোনের তুলনায় অনেক কম। তবুও এটি এখনো নিয়মিতভাবে বৈজ্ঞানিক তথ্য পাঠিয়ে যাচ্ছে—
যেমন:
- আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাশূন্যের কণা ও বিকিরণ
- সৌরজগতের প্রান্তবর্তী পরিবেশ
- মহাজাগতিক প্লাজমার আচরণ
এই ধারাবাহিক তথ্য সংগ্রহ মানবজাতির মহাকাশ অনুসন্ধানের ইতিহাসে একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।